মোবাইল অপারেটরদের আয় কমেছে ৮.২ শতাংশ : জিএসএমএ

১৭ ডিসেম্বর, ২০২০ ২০:১৭  
কোভিডে মোবাইল অপারেটরদের আয় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। দুর্যোগে নাগরিকের সকল কাজে সতীর্থের ভূমিকায়ে থেকে  ইন্টারনেটের ওপর নির্ভরতা গ্রাহক প্রতি ১৬ শতাংশ থেকে ২৯% বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু ভয়েস কলের চাহিদা ৬.৫% থেকে ৭% কমেছে। সক্রিয় মোবাইল গ্রাহক কমেছে ২.৪ শতাংশ। মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহকও দশমিক ০৩ শতাংশ কমেছে। যার ফলশ্রুতিতে মোবাইল কোম্পানিগুলোর আয় কমেছে ৮.২ শতাংশ। যদিও প্রথম প্রান্তিকের চেয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিকে মোবাইল ডেটার ব্যবহার বেড়েছে ২১ শতাংশ। তবে ডেটার চাহিদা বৃদ্ধির হারে মহামারীর শুরুতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েঝে ডাউনলোড গতিতে। নেটওয়ার্ক সরঞ্জাম পরিবহন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় বিলম্বিত হয় নেটওয়ার্ক রোলআউটের কাজ। সব মিলিয়ে টেলিযোগ অবকাঠামোর দৃঢ়তায় প্রাকৃতিক বিপর্যয় ভালোভাবে মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ। দুর্যোগ মোকাবেলায় সর্বোচ্চ দুর্যোগ ঝুঁকিতে থাকা ১৮৭টি দেশের মধ্যে থাকা বাংলাদেশের অবস্থান এখন ১০ম। বছরের প্রথম প্রন্তিকে সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা, মোট রাজস্ব এবং করপূর্ব আয় ১.৫ শতাংশের মধ্যে ছিল। মোবাইল ডাটা গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় ৪ শতাংশ বৃদ্ধি এবং গ্রাহক প্রতি গড় ডেটা ১৬-২০ শতাংশ বৃদ্ধি সত্ত্বেও ডাটা থেকে রাজস্ব বেড়েছে মাত্র ৪ শতাংশ। দুই প্রান্তিক মিলিয়ে বেশ ধাক্কা খেয়েছে অপারেটররা। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আরো বড় ধরনের কামড় বসাতে পারে বলেও শঙ্কা করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। এমন পরিস্থিতিতে মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের সংশ্লিষ্ট বিটিএস/নোড-বি/ইনোড-বি, নিউ রেডিও পর্যন্ত নিজস্ব ফাইবারের মাধ্যমে কানেক্টিভিটি ব্যবহারের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে টেলিকম অপারেটরদের বৈশ্বিক সংগঠন জিএসএমএ। ডিজিটাল সেবা সুলভ ও সহজলভ্য করতে মোবাইল যোগাযোগ, পাবলিক এবং ডাটা কমিউনিকেশনের উপর শিল্প কর, শুল্ক ও ফি যুক্তিসঙ্গত করার দাবি জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় টেলিকম, ই-হেলথ, বিগ ডাটা এবং টেলিমেডিসিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতের সাথে সম্পর্কিত নীতির সমন্বয়কে অগ্রাধিকার দিয়েছে সংগঠনটি। জিএসএমএ প্রতিবেদন বলছে, মোবাইল-ইন্টারনেট ব্যবহারে পুরুষের তুলনায় নারীরা পিছিয়ে আছে। মোবাইল ব্যবহারে ২৯ শতাংশ এবং ইন্টারনেট ব্যবহারে ৫২ শতাংশ নারী পুরুষের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে।